
বিরল দর্পণ ডেস্ক:
সারাদেশে স্বাদে ও রসে এগিয়ে আছে দিনাজপুরের বিরলের লিচু। টকটকে লাল রং আর রসালোর স্বাদের জন্য বিরলের লিচুর কদর সর্বত্রই। এর মধ্যে বেদানা লিচুর চাহিদা সব থেকে বেশি। মৌসুম এলেই এই লিচুর জন্য অপেক্ষায় থাকেন সবাই। লিচুর রাজ্য হিসেবে সুনামও ছড়িয়েছে বিরল। ৭ থেকে ১০ দিন পরেই বাজারে আসবে বিরলের লিচু। গাছে গাছে সবুজ পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে লালচে গোলাপি ও সুবজ রঙের লিচু। এবার ফলন কিছুটা কম হলেও খুশি লিচু চাষিরা।
উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ও ১টি পৌরসভায় কম বেশি লিচুর আবাদ হয়। সবচেয়ে বেশি চাষ হয় বিরলের রবিপুর, মাধববাটি, করলা, রাজারামপুর, মহেশপুর, বটহাট এলাকায়। এছাড়াও লিচু চাষে কৃষকের আগ্রহও দিন দিন বাড়ছে। এবারে তাপমাত্রা বেশি থাকায় ও ঝড়-বাতাশ ও পাথর পড়ে গাছে গাছে নষ্ট হয়ে গেছে লিচুর গুটি। তবে, কৃষি অফিসের পরামর্শে আগে থেকে লিচুর গাছের গোড়ায় পানি ও লিচুর গায়ে পানি স্প্রে করায় এখন পর্যন্ত লিচু ভালো আছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আগামী সপ্তাহে বাজারে তুলতে শুরু করবে লিচু।
কৃষকরা বলছেন, শুরু থেকেই এবারে লিচুর মুকুল কম। তাছাড়া প্রচন্ড তাপদাহে লিচুর গুটি ঝড়ে পড়া। ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে অনেকটাই ক্ষতি হয়েছে। যে টুকু রয়েছে তাতে ভালই রয়েছে। গতবারের তুলনায় এবারে ভাল দাম পাওয়া যাবে। এব্যাপারে কৃষি অফিস থেকে সব সময় পরামর্শ দিয়ে আসছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার জানান, সপ্তাহের মধ্যেই মাদ্রাজি ও বোম্বাই আগাম জাতে লিচু বাজারে আসবে। তার পরে আসবে বেদানা, চায়না থ্রি ও কাঁঠালি। জেলায় তাপ প্রবাহ বেশি থাকায় লিচু গুটির কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তাই তাপ প্রবাহে যাতে লিচু গাছ নষ্ট না হয় সে জন্য মাঠ পার্যায়ে কৃষকদের গাছের গোড়ায় পানি ও লিচুর গাছে পানি স্প্রে করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান । তিনি আরো বলেন, এ বছর বিরলে লিচু চাষে জমির পরিমান প্রায় ২৫শ ৫৮ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন এলাকায় লিচু বাগান রয়েছে।
Leave a Reply