1. subalray72@gmail.com : বিরল দর্পণ : বিরল দর্পণ
  2. info@www.biraldarpon24.com : বিরল দর্পণ :
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ :
বিরলে জামায়াতের আয়োজনে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিরলে এক সুবর্ণ নাগরিক (প্রতিবন্ধী)’কে হুইল চেয়ার প্রদান || ইফতার বিতরণ দিনাজপুরের খানসামার পাকেরহাটে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু বিরলে দুই মাদক ব্যবসায়ী’সহ ২৯৯ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপ উদ্ধার দিনাজপুরে ০৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৩ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এক কেজি আলুর দামে মেলে না এক কাপ চা জরুরি ক্ষমতায় ইসরায়েলকে ২০ হাজার বোমা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র Apex স্টাইলে No.1, ঈদ ট্রেন্ডে ফ্যামিলি ফান আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি জোরদার কুয়েতে মিসাইল হামলায় সন্দ্বীপের প্রবাসী নিহত

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এক কেজি আলুর দামে মেলে না এক কাপ চা

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ১২৮ বার

অমর চাঁদ গুপ্ত অপু, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
এক কাপ চায়ের দাম দশ টাকা। অথচ এক কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৮ থেকে ৯ টাকা কেজি দরে। একজন পুরুষ কৃষি শ্রমিকের মজুরি দিতে হয় ৫৫০ টাকা। এক মণ আলু বিক্রি করেও শ্রমিকের মজুরির টাকা উঠছে না। কৃষকদের প্রায় সব ধরনের ফসল আবাদে লোকসান গুনতে হচ্ছে। অনেক কৃষক সরকারি প্রণোদনাও পান না।

চলতি মৌসুমে আবারও লোকসানের মুখে পড়েছেন আলুচাষিরা। নতুন আলু পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে প্রতি কেজি ছয় থেকে সাত টাকায়। আর খুচরাতে বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৮ থেকে ৯টাকা। এর সঙ্গে প্রতি বস্তায় অতিরিক্ত পাঁচ কেজি করে ‘ঢলন’ দিতে বাধ্য হচ্ছেন কৃষকরা। ফলে ফলন ভালো হলেও ন্যায্য দাম না পেয়ে চরম লোকসান গুনছেন চাষিরা।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের পাঠকপাড়া গ্রামের আলুচাষি প্রদীপ রায় বলেন, দুই বিঘা জমিতে আলু চাষ করে তুলনামূলক ভালো ফলন পেয়েছেন। দুই বিঘায় ৮০ থেকে ৮৫ বস্তা (প্রতি বস্তা ৬০ কেজি) আলু উৎপাদন হয়েছে। আলুর ধরন অনুযায়ী প্রতি বস্তা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে প্রতি বিঘায় ১৮ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকা পাওয়া গেলেও উৎপাদন খরচ হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। ফলে বিঘাপ্রতি লাকসান হচ্ছে ২৭ থেকে ২৮ হাজার টাকা।

সমশেরনগর এলাকার আলু চাষি সাইদুর রহমান বলেন, তিনি আড়াই বিঘা জমিতে আলু রোপণ করেছেন। জমি থেকে আলু উত্তোলন করতে অনেক খরচ হচ্ছে। সাত টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করেছেন। এতে তার উৎপাদন খরচও উঠছে না।

বুজরুক সমশেরনগর এলাকার আলু চাষি জয়নাল আবেদীন বলেন, আড়াই বিঘা জমিতে আলু চাষ করে বিঘাপ্রতি প্রায় ৪৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু উৎপাদিত আলু বিক্রি করে পাওয়া গেছে মাত্র ২৪ হাজার টাকা। এতে ২৭ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে। আবাদ করতে গিয়ে এভাবে লোকসানে পড়লে কৃষকদের পথে বসা ছাড়া উপায় নেই।

আলু ব্যবসায়ী জয়ন্ত সাহা বলেন, গত বছরের মতো এবারও আলু চাষে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। অনেকেই ধারদেনা ঋণ করে জমির পরিমাণ কমিয়ে আবার আলু চাষ করেছেন। কিন্তু এবারও লোকসান গুনতে হচ্ছে। অনেক ব্যবসায়ীও আলু আবাদে অর্থ জোগান দিয়ে লোকসানে পড়েছেন।

কৃষকরা বলছেন, এখন আলু তোলা শেষ পর্যায়ে। ৮-১০ দিন আগে ফুলবাড়ীতে জমির আলু উঠতে শুরু করে, তখনও বাজার দর ছিল ১২ থেকে ১৫ টাকা কেজি, যা এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন বলেন, এ বছর উপজেলায় আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ৪৮০ হেক্টর জমি এবং আবাদও হয়েছে সমপরিমাণ জমিতে। যার উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার ৫২০ মেট্রিক টন। তবে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ কৃষকদের চাষাবাদ ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে। বাজারদর নির্ধারণের বিষয়টি কৃষি বিপণন বিভাগ দেখভাল করে থাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পড়ুন :

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© All rights reserved @www.biraldarpon24.com
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট