
বিরল দর্পণ ডেস্ক:
দিনাজপুরের বিরলে পেঁয়াজের বীজ চাষে বেশ আলোড়ন ফেলেছে। এক বিঘা দুই বিঘা নয় প্রায় ৬ একর জমিতে চাষ করেছেন পেঁয়াজের বীজ। তিনি মনে করছেন পেঁয়াজের ঘাটতি নিরসনে এমন উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি অন্যান্য ফসলের তুলনায় বেশ লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে। অপর দিকে এই চাষে উদ্বুদ্ধ করতে চাষিদের সব ধরনের সহযোগীতা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
দিগন্তজোড়া পেঁয়াজের খেত। এক বিঘা, দুই বিঘা নয়। প্রায় ৬ একর জমিতে বীজের জন্য পেঁয়াজ লাগানো হয়েছে। দুই থেকে আড়াই ফুট লম্বা গাছের সবুজ কান্ডের মাথায় গোলাকৃতির সাদা সাদা ফুল বাতাসে দুলছে। দূর থেকে দেখে মনে হবে শিল্পী যেন সবুজ চাদরে সাদা রঙের ফুলের ছবি এঁকেছেন পরম যত্নে। বিশাল আয়তনের এই পেঁয়াজ খেতের দেখা মিলছে দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ধামইর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে। তরুণ কৃষক মিলন ইসলাম পেঁয়াজের আবাদ করেছেন। বিগত তিন বছর ধরে পেঁয়াজসহ নানা ধরণের কৃষি পন্যের বীজ উৎপাদন করছেন। অনেকটা সফলও হয়েছেন তিনি।
এই পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন প্রকল্পে স্থানীয় প্রায় ১৫ জন নারী-পুরষ কৃষি শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এছাড়াও পেঁয়াজের চাষ ও ফুলের সৌন্দয্য দেখতে দূর-দুরান্ত থেকে ছুঁটে আসছেন অনেকেই। লাভজনক এই ফসল চাষের জন্য স্থানীয় প্রতিবেশি কৃষকরা নিচ্ছেন বিভিন্ন পরামর্শ।
কৃষক মিলন ইসলাম সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, বাহিরের দেশে থেকে যেন পেঁয়াজ ও বীজ আমদানী না করে। দেশের কৃষক যদি দাম না পায় তাহলে পরবর্তীতে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী হরাবেন। আমাদের দেশে পেঁয়াজের বীজ ভালো। সরকারের সহযোগীতায় দেশে পেঁয়জের ঘাটতি মিটাতে সক্ষম হবো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার জানান, বিরলের মাটি ও আবহাওয়া পেঁয়াজ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। পেঁয়াজের পাশাপাশি বীজও দেশে আমদানী করতে হয়। এমন উদ্যোক্তা দেশে বেশি বেশি সৃষ্টিহলে পেঁয়াজ সংকট নিরসনে অনেকটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। যে কারনে এই কৃষকদের সবধরনের সহযোগীতা দিচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
চলতি মৌসুমে দিনাজপুরের বিরল উপজেলাতেই ৪০ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে।
Leave a Reply