বিরল দর্পণ ডেস্ক:
জেলা পুলিশ সুপার, দিনাজপুর কার্যালয়ে বিরল উপজেলার মঙ্গলপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের মৃত সলেমান আলীর ছেলে মজিবর রহমান জনসাধারণের পক্ষে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে জানা যায়, দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার মঙ্গলপুর ইউনিয়নের মো: আহিদুল ইসলাম এলাকার বিভিন্ন ৫ আগষ্ট ২০২৪ ইং এর পরে বিভিন্ন বাড়িতে এবং এলাকার সুনামধন্য ব্যাক্তিদের কাছ থেকে ভয় ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য মো: মহিদুল ইসলাম বাবুল চৌধুরীর বাড়িতে আগুন দেয় এবং বাড়ীতে থাকা মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
বিবাদি তার নিজের বড় ভাইকে ৫ আগষ্ট ২০২৪ ইং এর পরে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটায় এবং তার দলীয় প্রভাব খাটিয়ে তার বড় ভাইয়ের কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এলাকার বিভিন্ন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিকবার চাঁদা আদায় করে।
মঙ্গলপুর বাজারে তহিদুল এবং আলিম এলাকার বিভিন্ন পাম্প মালিকদের কাছ থেকে এবং আপত্তিকর লেখা ফেসবুকে পোষ্ট দেয়। যেমন, মঙ্গলপুর ওয়াকফ জামে মসজিদের কমিটির একজন সদস্য মো: জাহাঙ্গীর আলমের নামে মঙ্গলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বরাবর একটি মিথ্যা অভিযোগ আনায়ন করেন। সে নিজে ও অভিযোগ কারী হওয়ার সত্তেও পরে চেয়ারম্যান উভয় পক্ষকে নোটিশ করলেও অভিযোগ কারী হাজির হয়নাই।
সে ৫ আগষ্ট ২০২৪ এর পরে অবৈধভাবে রেলওয়ের জায়গা দখল করে চাঁদা বাজীর টাকা দিয়ে সেই জায়গায় বাড়ী কৈরী করে। আরোও মো: লিয়াকত হোসেন দিনাজপুর ঘাসিপাড়া নামের ব্যক্তির কাছ থেকে জমি খারিচ করে দিবে বলে মো: কামরুজ্জামান, মো: আহিদুল ইসলাম ও মো: সাদেকুল ইসলাম বিভিন্ন সময় লিয়াকতের কাছ থেকে ৭২ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু অনেক দিন অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্তু খারিচ করে দেয়নাই।
কিছু দিন আগে লিয়াকত ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দেন। সেই অভিযোগের শুনানী ছিল গত ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখে। চেয়ারম্যান তাদেরকে টাকা নেওয়ার কথা বললে তারা প্রথমে অস্বীকার করে। পরে মসজিদের কসম খাওয়ার জন্য নিজেরাই প্রকাশ করার পর অজু করে মসজিদে ঢুকার আগে টাকার বিষয়ে তারা নিজেরাই স্বিকার করে। তখন আমি ও জনসাধারণ চিটার বলে। চিটার বলার কারণে সে আমার শার্টের কলার ধরে টানাটানি করে। সেখানে উপস্থিত চেয়ারম্যান, মেম্বার ও গ্রাম পুলিশ সহ আরোও শতাধিক জনসাধারণ উপস্থিত ছিল।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের কাছে সুষ্ঠ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ করেছেন।