বিরল দর্পণ : কম খরচ ও বেশী লাভ হওয়ায় দিনাজপুরে সূর্যমুখী আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। এ বছর উপজেলায় রেকর্ড পরিমান আবাদ হয়েছে সূর্যমুখী। হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখেও। বাড়ছে চাষীর সংখ্যাও। উপজেলা কৃষি কর্মকতা বলছেন, কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে নিয়মিত পরামর্শ, প্রশিক্ষন ও সার, বীজ সহায়তা করা হচ্ছে।
দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ০৯নং মঙ্গলপুর ইউনিয়নের গরুর গ্রামের কৃষক রবিউল ইসলাম। তিনি এবারে তার জমিতে পোনে এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করেছেন। তার দেখে স্থানীয় কৃষকরা ঝুকছেন সূর্যমুখী আবাদে। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ৪ হেক্টর জমিতে ফুটেছে সূর্যমুখী। নয়ন জুড়ানো এ দৃশ্য দেখে কৃষকের মুখে হাসি ফুটানোর পাশাপাশি আকর্ষন করছে দর্শনার্থীদেরও। ছবি ও সেলফিতে মুখরিত থাকছে সূর্যমুখী ক্ষেত। অন্যান্ন ফসলের তুলনায় চাষে খরচ কম ও লাভ বেশী হওয়ায় সূর্যমুখী আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা।
কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, ফুল প্রেমীদের মতে সূর্যমুখীর সোনালী হাসি মনকে প্রফুল্ল করে। এর চাষাবাদে কৃষি ক্ষেতে আরো উন্নয়ন সম্ভব। প্রতিদিন দর্শনার্থীরা আমার ক্ষেতে এসে ভীড় জমায়। আমি গত বছর প্রাথমিক ভাবে আবাদ করছিলাম। এবারে একটু বেশী জমিতে লাগিয়েছি। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে গতবারের চেয়ে এবার বেশী লাভ পাব।
তিনি আরো বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সকল প্রকার সহযোগীতা করেন এবং কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ, প্রশিক্ষন দেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার বলেন, আধুনিক পদ্ধুতিতে চাষাবাদ করলে সূর্যমুখী হতে পারে জেলার সম্ভাবনাময় অর্থকরি ফসল। এছাড়াও ভোয্য তেলের উপরে আমদানী নির্ভরতা কমানোর জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রনোদনা দিয়ে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছিল। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে কৃষকরা এবার ভালো দাম পাবেন বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।
তিনি আরো বলেন, চলতি মৌসুমে বিরল উপজেলায় ৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে।