
বিরল দর্পণ:
দিনাজপুরের বিরলে এবারেও লিচুর বাম্পার ফলনের আশা করছেন লিচু চাষীরা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে লিচু চাষীরা গতবারের চেয়ে এবারে দ্বি-গুন লাভের আশা করেছেন। তাই বাগান পরিচর্চা করে ব্যস্ত সময় পার করছেন লিচু চাষীরা। তবে জেলায় একটি লিচু সংরক্ষনের হিমাগার করার দাবী জানান কৃষকরা।
দিনাজপুর জেলা জুড়ে লিচুর আবাদ হয়ে থাকে। এই জেলার লিচু সু-স্বাদু ও উন্নত মানের। এলাকার লিচুর গুণ ও মানে চাহিদা দেশ জুড়ে। বিশেষ করে বিরল উপজেলার মাধববাটী-রবিপুরে দেশের উৎকৃষ্টমানের লিচু উৎপাদন করে। এছাড়া সদর উপজেলার প্রায় প্রতিটি বাড়ির ভিটা, উঠান, আঙ্গিনাতেও লিচুর গাছ লাগিয়ে থাকে লিচু প্রেমিকরা। তাই বেশী লাভের আশায় দিন-রাত পরিচর্চা করে আসছেন লিচু চাষীরা। জেলায় লিচু সংরক্ষনের কোন হিমাগার না থাকায় প্রতি বছর লিচু পচে নষ্ট হয়। যার ফলে ক্ষতি গ্রস্থ হয় লিচু উৎপাদন কারী কৃষকরা।
লিচু চাষী সাখোয়াত হোসেন জানান, গতবারের তুলনায় এবারেও গাছে গেেছ মুকুল এসেছে। তাই গাছের গোড়ায় পানি দেওয়া হচ্ছে। যেন মুকুল ঠিকমতো রস পায়। কোন ভাবে যেন নষ্ট নায়। তাই স্প্রেদিয়ে ঔষুধ ছিটানো হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের লিচুর সিজিনে খুব তারাতাড়ি লিচু বিক্রী হয়ে থাকে। এই লিচু যদি আমরা কয়েক মাস স্থায়ী করতে পারি তাহলে কৃষকরা বেশী লাভবান হতে পারবো। তাই সকারের কাছে অনুরোধ আমাদের এলাকায় লিচু সংরক্ষনের জন্য হিমাগার স্থাপন করা হয়।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রুম্মান আক্তার বলেন, বিরল উপজেলায় ২ হাজার ৫৫৮ হেক্টর জমিতে লিচু চাষাবাদ হচ্ছে। এখানে বোম্বাই, মাদ্রাজী, বেদানা, চায়না-থ্রি, চায়না-টু ও কাঁঠালি জাতের ফলন ভালো হয়। এবারেও প্রতিটি গাছে গাছে লিচুর মুকুল দেখা দিয়েছে। লিচুর মুকুল যেন নষ্ট না হয় তাই চাষীদের সার্বিক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
Leave a Reply